মন্দির নিয়ে ক্যাপশন | মন্দির নিয়ে স্ট্যাটাস | মন্দির নিয়ে উক্তি

এই পৃথিবীতে আমরা কয়েকটি ধর্মের মানুষ একত্রে বসবাস করি। আমরা সকল ধর্মের উপর শ্রদ্ধা রেখে আমাদের আজকের নিবন্ধন টি শুরু করতে যাচ্ছি। আমাদের আজকের নিবন্ধনটিতে থাকছে একটি ধর্মীয় বিষয় সম্পর্কে। অবশ্যই যারা ধর্মীয় বিষয় সম্পর্কে রিসার্চ করেন বা ধর্ম সম্পর্কে জানার আগ্রহ রয়েছে তারা অবশ্যই আমাদের এই প্রতিবেদনটি থেকে ধর্মীয় কিছু বিষয়ে সংগ্রহ করতে পারেন এবং জ্ঞান অর্জন করতে পারেন। আমরা সকলেই সকল ধর্মকে অবশ্যই সম্মান করবো এবং সকল ধর্মের মানুষকে অবশ্যই তাদের ধর্ম পালন করতে সাহায্য করবো। আমরা কখনোই অন্য ধর্মকে অসম্মান করব না এবং অন্যের ধর্মকে নিয়ে কটুক্তি কর কোন কথা বলবো না। তাহলে চলুন শুরু করা যাক আমাদের আজকের প্রতিবেদনটি।

আপনারা হয়তো আমাদের উপরের টাইটেল দেখে বুঝতে পেরেছেন আজকে আমরা আপনাদের সামনে কি বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে যাচ্ছি। আজকে আমাদের বিষয়টি থাকছে মন্দির নিয়ে কিছু তথ্য। আপনারা অবশ্যই জানেন যে মন্দির এমন একটি স্থান যে স্থানটিতে ধর্মের রিসার্চ করা হয়। সকল ধর্মেরই তাদের সৃষ্টিকর্তাকে খুশি করার জন্য এবং সৃষ্টিকর্তা সন্তুষ্টি কামনার জন্য একটি স্থান থাকে সেই স্থানটি তাদের কাছে খুবই পবিত্র। আপনি যদি অনুসন্ধান করেন মুসলিমদের জন্য মসজিদ, হিন্দুদের জন্য মন্দির, খ্রিস্টানদের জন্য গির্জা, এবং অন্যান্য জাতির জন্য অন্যান্য স্থান রয়েছে। তবে আজকে আমরা আপনাদের সামনে সেই সনাতন জাতি সম্পর্কে কিছু তথ্য তুলে ধরার চেষ্টা করব। অর্থাৎ হিন্দু জাতির মন্দির নিয়ে কিছু স্ট্যাটাস উক্তি আপনাদের সামনে তুলে ধরব।।

মন্দির নিয়ে স্ট্যাটাস

অবশ্যই মন্দির একটি ধর্মীয় স্থান এবং সেই স্থানটি অবশ্যই পবিত্র। আমরা সকলেই ধর্মীয় স্থানগুলোকে সম্মান করি এবং ধর্মকেও সম্মান করি। যে স্থানে বসে ঈশ্বর অথবা সৃষ্টিকর্তার গুনো গান করা হয় এবং সৃষ্টিকর্তার সন্তুষ্টি কামনা করা হয় সেই স্থানটি পবিত্র স্থান বলে জানা যায় এবং হিন্দুদের সেটি মন্দির হিসেবেই গণ্য করা হয়। যেহেতু এটি একটি পবিত্র স্থান এবং সেইখান থেকেই আমরা আমাদের সৃষ্টিকর্তার সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করি এবং সৃষ্টিকর্তার আরাধনা করি তাই এই স্থানটি সম্পর্কে আমাদের অবশ্যই জানা প্রয়োজন। হিন্দু ধর্ম পালনকারী সকল ভাই ও বোনেরা রয়েছেন তারা মন্দির নিয়ে কিছু স্ট্যাটাস গুলো সংগ্রহ করার চেষ্টা করেন। তাদের জন্যই সাধারণত মন্দির নিয়ে কিছু স্ট্যাটাস সংগ্রহ করে তুলে ধরা হলো।

পুন্য পথের এ যে যাত্রিরা নিস্পাপ, ধর্মের বর্মে সুরক্ষিত দিল সাফ। নহে শঙ্কিত বজ্ৰ নিপাতেও, কাণ্ডারী আহমদ, তরী ভরা পাথেয়। ” 

 

সন্ধ্যা জুড়ে কখনো পার্কে কখনো নদীর পাড়ে কখনো আবার মন্দিরে, একসাথে সময় কাটাতাম সন্ধ্যা জুড়ে।

 

সবাই মন্দিরে একটা উদ্দেশ্য নিয়েই যায়- তা হলো ঠাকুরের সন্তুষ্টি ।
– সুজয় চৌধুরী

মন্দির নিয়ে ক্যাপশন

হিন্দু ধর্ম অনুসারী সকল ভাই ও বোনেরা তারা প্রতিদিন এই মন্দিরে যাওয়া-আসা করেন এবং ঠাকুরের আরাধনা করার চেষ্টা করেন। তারা তাদের নিয়ম অনুসারে ঠাকুরের প্রার্থনা করেন এবং ঠাকুরের সন্তুষ্টি কামনা করেন। তাদের ঠাকুরের আরাধনা করার কিছু নির্দিষ্ট সময় রয়েছে সেই সময় অনুযায়ী তারা মন্দিরে প্রবেশ করেন এবং ঠাকুরের আরাধনা করেন এবং সাহাপুরকে সন্তুষ্টি দেওয়ার চেষ্টা করেন। তারা মন্দিরে বসে ঠাকুরের কাছে অনেক চাওয়া পাওয়া আবদার করেন এবং তাদের সৃষ্টিকর্তা তাদের আবদার পূরণ করার চেষ্টা করেন তাই এই স্থানকে নিয়ে অনেকগুলো ক্যাপশন সংগ্রহ করার চেষ্টা করেন কিছু সংখ্যক ভক্ত। তাদের জন্য সুন্দর কিছু ক্যাপশন এই নিবন্ধন দিতে উল্লেখ করা হলো।

মন্দির হলো ভক্তদের প্রাণ
– সংগৃহীত

 

ধর্ম বলতে ঈশ্বর এবং মানুষের প্রতি ভালোবাসা ব্যতীত আর কোনো কিছুকেই বোঝায় না।

 

“নামাজ পড়, রোজা রাখ, কলমা পড় ভাই, তোর আখেরের কাজ করে নে সময় যে আর নাই।”

 

“মন হল ধর্মের পূর্বগামী, মনই হয় শ্রেষ্ঠ, সকলই মনোময়।”

মন্দির নিয়ে উক্তি

যে স্থানটিতে বসে বা যে স্থান থেকে ঠাকুরের আরাধনা করা হয় বা সৃষ্টিকর্তার আরাধনা করা হয়। সেই স্থানটি নিঃসন্দেহে সকলেই পবিত্র রাখার চেষ্টা করে এবং সেই স্থানটি অবশ্যই পবিত্র। তাই এই পবিত্র স্থানটি থেকে আমাদের অনেক আবেগ রয়েছে। বিভিন্ন কবিগুরু এবং কবিগণ বা মনীষীগণ এই পবিত্র স্থান সম্পর্কে নানা রকম উক্তিগুলো দিয়ে গিয়েছেন। দ্বারা বিভিন্ন বইয়ে এই উক্তিগুলো লিখে গিয়েছেন যেই উক্তিগুলো আমরা বিভিন্ন স্থান থেকে সংগ্রহ করে আপনাদের সুবিধার্থে আমাদের এই প্রতিবেদনটির মাধ্যমে আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করলাম। যাতে আপনারা এ ধরনের তথ্যগুলো খুব সুন্দর ভাবে সংগ্রহ করতে পারেন।

মন্দির বা উপাসনালয়ে কেঁদো কিন্তু কখনো মানুষের মন ভেঙ্গো না।
– Bulleh Shah

 

তুমি মন্দিরে দিকে বারবার ছুটে গেলেও কখনো ক্লান্ত হবে না।
– Bulleh Shah

 

জ্বলন্ত শিখাটি জানে তাই প্রদীপ তেলে চলতে, কি আছে কি নেই তবু পারো কিনা জ্বলতে।

 

মন্দির- সুউচ্চ মিনারে সত্যের প্রতিবিম্বন, মন্দির- পরকালীন মুক্তির সুনিশ্চিত সাধন।
– কাফাশ মুনহামাননা

বর্তমানে ইন্টারনেটের বদৌলতে আপনারা হাতের মুঠোয় সকল জিনিস পেয়ে যাচ্ছেন। আপনাদের কোন জানার আগ্রহ থাকলে আপনারা শুধু ইন্টারনেটের ব্রাউজারগুলোতে অনুসন্ধান করলে শুধুমাত্র আপনাদের সামনে চলে আসতেছে কয়েক সেকেন্ডের ভিতরে। সেখান থেকে আপনি আপনার প্রয়োজনীয় তথ্যগুলো সংগ্রহ করতে পারতেছেন এবং নিজের জ্ঞান অর্জন করতে পারছেন। এছাড়াও ইন্টারনেট থেকে আপনার প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করে চাহিদা মিটাতে পারতেছেন। তবে এ ধরনের তথ্যগুলো শুধুমাত্র আমাদের মত কিছু ব্লগার বিভিন্ন স্থান থেকে কষ্ট করে সংগ্রহ করে আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করে। আশা করি আমাদের তথ্যগুলো পেয়ে আপনারা উপকৃত হন। আপনি যদি আমাদের তথ্যগুলো পেয়ে উপকৃত হন তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন এবং আমাদের উপকার করতে চাইলে অবশ্যই একটি অ্যাডে ক্লিক করে আমাদের সাথে থাকতে পারেন। আপনার মূল্যবান সময় দিয়ে আমাদের সাথে থাকার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top