বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে কবিতা, উক্তি, স্ট্যাটাস | বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ হেল্পলাইন | বাল্যবিবাহ আইন

প্রিয় ভিজিটরগণ, আমাদের আজকের ব্লগটিতে আপনাকে আবারও স্বাগতম জানাচ্ছি। আমরা আপনাদের সামনে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন রকম তথ্য শেয়ার করার চেষ্টা করি যাতে আপনারা আমাদের প্রতিবেদনগুলো থেকে নানা রকম তথ্যগুলোর সংগ্রহ করতে পারেন এবং সেটি থেকে উপকৃত হতে পারেন। তেমনিভাবে আজকে আমরা আপনাদের সামনে এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সাজিয়েছে যেটি হল বাল্যবিবাহ সম্পর্কে। আপনি অবশ্যই জেনে থাকবেন যে বর্তমান সময়ে দেশে বাল্যবিবাহ সংখ্যা প্রতিনিয়ত বেড়ে চলেছে এবং মানুষ বাল্যবিবাহ দেওয়ার জন্য উৎসাহিত হচ্ছেন। কিন্তু তারা অবশ্যই জানেন না যে বাল্যবিবাহ একজন নারীর পক্ষে কতটা ক্ষতিকারক এবং সেটি তার বিপক্ষে কতটা ক্ষতিকারক হতে পারে সেটি সম্পর্কে তাদের ন্যূনতম কোনোরকম ধারণা নেই।

আমরা অনেকেই আছি যারা আমাদের নিজ স্থান থেকে অর্থাৎ আমাদের এলাকায় বিভিন্ন বাল্যবিবাহ ঠেকাতে বিভিন্নভাবে পদক্ষেপ গ্রহণ করলেও আমরা বাল্যবিবাহ ঠকাতে পারছি না অর্থাৎ মানুষকে সতর্ক করে তুলতে পারছি না এজন্য আমরা অনেক সময় আইনি সহায়তা নেই এবং বাল্যবিবাহ ঠেকানোর জন্য আগ্রহ প্রকাশ করি। এছাড়াও বাল্যবিবাহ ঠেকানোর জন্য বিভিন্ন রকম তথ্য শেয়ার করি যাতে মানুষ বাল্যবিবাহ ঠেকানোর চেষ্টা করেন এবং মানুষ বাল্যবিবাহ হতে উৎসাহিত না হন। এছাড়াও বাল্যবিবাহ সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ তথ্যগুলো জেনে যাতে তারা কাউকে বাল্যবিবাহে আগ্রহ না দেখান বা বাল্য বিবাহ বন্ধ হতে এগিয়ে আসেন।

বালবিবাহ নিয়ে উক্তি

বাল্যবিবাহ ঠেকানোর জন্য অবশ্যই আপনাকে সমাজে কিছু মানুষের সাথে সম্পর্ক তৈরি করতে হবে এবং তাদেরকে একতাবদ্ধ করে বাল্যবিবাহের জন্য রুখে দাঁড়াতে হবে। আপনি যদি শুধুমাত্র নিজেই বা একাই চেষ্টা করেন বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ করতে তাহলে আপনি কখনোই সেটি ঠেকাতে পারবেন না এজন্য আপনাকে এলাকার কিছু মানুষদের সাথে নিয়ে একটি দল তৈরি করতে হবে এবং যারা বাল্যবিবাহ দিতে আগ্রহ প্রকাশ করে বা আগ্রহী হয় তাদের সাথে কথা বলে বাল্যবিবাহ বন্ধ করতে হবে। এছাড়াও সাধারণ মানুষদের বাল্যবিবাহ সম্পর্কে জানানোর জন্য বা সতর্ক করে তুলতে অবশ্যই বাল্যবিবাহ নিয়ে উক্তিগুলো শেয়ার করতে হবে।

 িশক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ঝরে পড়ার একটা বড় কারণ বাল্যবিবাহ। এ ক্ষেত্রে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে

 

বাল্যবিবাহ নিয়ে স্ট্যাটাস

আপনারা ফেসবুক ব্যবহার করেন সকলেই তাই আপনি চাইলে ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রাম বা বিভিন্ন মাধ্যমে মানুষকে বাল্য বিবাহ সম্পর্কে সতর্ক করে তুলতে পারেন বা সতর্কতা করে দিতে পারেন। এজন্য আপনারা ইন্টারনেটের মাধ্যমে সংগ্রহ করতে পারেন বাল্যবিবাহ নিয়ে স্ট্যাটাস গুলো যে স্ট্যাটাসগুলো সংগ্রহ করে শেয়ার করতে পারেন অনলাইন প্লাটফর্ম গুলোতে এবং সকলেই এ ধরনের স্ট্যাটাস গুলো পাবলিস্ট করলে অবশ্যই মানুষ বাল্যবিবাহ সম্পর্কে জানতে পারবে এবং বাল্যবিবাহ বন্ধ হতে এগিয়ে আসবে। এছাড়াও তাদেরকে জানিয়ে দিতে পারেন বাল্যবিবাহ কুফল সম্পর্কে।

রাষ্ট্রীয় নীতিমালার মধ্য দিয়ে আসতে হবে। নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে এটা গুরুত্বের সঙ্গে ভাবতে হবে। সব ক্ষেত্রে এর একটা প্রতিফলন না থাকলে বাল্যবিবাহের ক্ষেত্রে পরিবর্তনটা আসবে না।

বালবিবাহ নিয়ে ক্যাপশন

একজন নারী যখন বাল্যবিবাহ দিবেন বা বাল্যবিবাহ দেওয়ার পরে তার বৈবাহিক জীবনের তিনি যে সকল সমস্যার সম্মুখীন হবেন সেটি তার এই অল্প বয়সে মানিয়ে নিতে খুব কষ্টকর হবে এবং সে কখনোই সমাজের সাথে টিকিয়ে উঠতে পারবেনা বা তার বয়সন্ধিকালটিতে তিনি এ সকল ঝামেলা বা এ সকল সংসারিক চাপ নিতে না পেরে সে ধীরে ধীরে মৃত্যুর মুখে ঢলে পড়বে। তাই আপনি জেনে শুনেই যদি আপনার সন্তানকে বাল্যবিবাহ দিয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে ফেলে দেন তাহলে অবশ্যই সেটার দায়িত্ব আপনাকেই নিতে হবে এবং সেই মৃত্যুর ভার আপনার উপরেই চাপবে। তাই অবশ্যই আপনাকে বাল্যবিবাহের জন্য রুখে দাঁড়াতে হবে এবং বাল্যবিবাহ সম্পর্কে বিভিন্ন স্ট্যাটাস ক্যাপশন গুলো আমাদের প্রতিবেদনটি থেকে শেয়ার করে আপনি সকলের মাঝে ছড়িয়ে দিতে পারেন।

এনজিওগুলো পৃথকভাবে কাজ করে। সরকার ও এনজিও সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে

আমাদের দেশে উচ্চ আদালতের একটি ভালো গাইডলাইন আছে। এ গাইডলাইনে বলা আছে, কর্মক্ষেত্র ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি বন্ধের জন্য যেন কমিটি থাকে।

বালবিবাহ প্রতিরোধ

আপনি যদি বালবিবাহ প্রতিরোধ করতে চান তাহলে আপনার সমাজে একটি সংস্থা তৈরি করুন এবং সেখানে আইনি সহায়তা নিয়ে আপনি চাইলেই কয়েকজন মিলে বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে পারেন। বয়সন্ধিকালে যখন আপনি আপনার মেয়েকে বাল্যবিবাহ দেবেন বা অল্প বয়সে বিয়ে দিবেন তখন তার সংসারিক একটি ঝামেলা সৃষ্টি হবে এবং সংসারের চাঁদনীতে না পেরে সে ধীরে ধীরে মৃত্যুর মুখে ঢলে পড়বে। এবং সে যদি অল্প বয়সের গর্ভবতী হয় বা গর্ভধারণ করে তাহলে সে গর্ভধারণে মৃত্যুবরণ করতে পারে তাই আপনি নিজেই আপনার সন্তানকে অল্প বয়সে বিয়ে দিয়ে মৃত্যুর মুখে ঢেলে দিচ্ছেন এটা কেমন হয়ে যাচ্ছে তাই অবশ্যই আপনাকে নিজ স্থান থেকে সতর্কতা হতে হবে। বালবিবাহ প্রতিরোধ করার জন্য আপনি আইনি সহায়তা নিতে পারেন এবং আইনি শয়ত নেওয়ার জন্য আপনার স্থানীয় উপজেলায় প্রশাসনিক কেন্দ্র অর্থাৎ ইউনোকে যোগাযোগ করতে পারেন এছাড়াও আপনি ৯৯৯ কল করে সহায়তা নিতে পারেন।

আমরা আমাদের এই প্রতিবেদনটির মাধ্যমে আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করলাম বাল্যবিবাহ সম্পর্কে নানা রকম তথ্যগুলো। যাতে আপনি বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে বিভিন্ন রকম স্ট্যাটাস গুলো শেয়ার করে সকলকে জানিয়ে দিতে পারেন এবং বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ করতে পারেন। এবং মানুষকে ভালো বিবাহ সম্পর্কে জানিয়ে দিতে পারেন আমাদের স্ট্যাটাসগুলো শেয়ার করে। আমাদের প্রতিবেদনটি আমরা আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করলাম যাতে আপনারা বিভিন্ন রকম তথ্যগুলো সংযোগ করতে পারেন আমাদের ব্লকটি থেকে এবং আমাদের ব্লকটি যদি আপনাদের ভালো লাগে অবশ্যই আমাদের কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top